শ্যামল দত্ত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আসলাম রহমান বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ছিল। তার করোনা টেস্টও করানো হয়। বুধবার (৬ মে) মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।’
তিনি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার পর বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের রোগী বলে তারা সেখানে তাকে রাখেননি। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
শ্যামল দত্ত অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা সঠিক চিকিৎসা পাইনি। ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢুকিয়েও তাকে বের করে দেওয়া হয়েছে। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা দেখেছেন, কিন্তু মনে হচ্ছে আরেকটু ভালো করে দেখলে হয়তো ভালো হতো। তবে কিছু টেস্ট তারা করেছেন, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা গেছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’ শ্যামল দত্ত বলেন, ‘একটা অ্যাম্বুলেন্স কোথাও থেকে ম্যানেজ করতে পারিনি আমরা। পরে অফিসের গাড়িতে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’
করোনা আক্রান্ত হয়ে এর আগে দুজন সাংবাদিক মারা গেছেন। গত ২৮ এপ্রিল দৈনিক সময়ের আলোর নগর সম্পাদক এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সদস্য হুমায়ুন কবীর খোকন উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে মারা যান। বুধবার (৬ মে) করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান একই পত্রিকার সিনিয়র সাব-এডিটর মাহমুদুল হাকিম অপু।