বাচ্চু মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর থেকেই তিনি ঢামেকের করোনা ইউনিটের কেবিনে ভর্তি ছিলেন। সেখানে চিকিসাধীন থাকা অবস্থায় আবার করোনা টেস্ট করা হলে তার নেগেটিভ রেজাল্ট আসে। পরে চিকিৎসকরা তাকে রিলিজ দিলে তিনি আবারও কাজে যোগ দেন।
গত ২ মে ঢামেকেই বাচ্চু মিয়া করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করান। একদিন পর রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। এরপর তাকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়িটিও লকডাউন করে দেওয়া হয়।
বাচ্চু মিয়া জানান, পুলিশের কাজই এমন যে, ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মানুষের সঙ্গে মিশতে হয়। এজন্য ঝুঁকি নিয়েই প্রতিটি পুলিশ সদস্য মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে দুই সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত তিন শতাধিক সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত করোনার কাছে হার মেনে জীবন দিয়েছেন আট পুলিশ সদস্য।