সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সিএমএইচ-এ ভর্তি সব রোগী সুস্থ রয়েছেন। আক্রান্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট ১৭ জন মারা গেছেন। মৃতদের ১৪ জনের বয়স ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে। এই ১৪ জনই অবসরপ্রাপ্ত। ৩ জন কর্মরত সামরিক/বেসামরিক সদস্য মারা গেছেন। যাদের প্রত্যেকেই দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।
আইএসপিআর-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কর্মরত সকল সদস্য, তাদের পরিবারের সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের কোভিড-১৯ এর নমুনা পরীক্ষার জন্য আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজিসহ (এএফআইপি) সকল ‘ এ মোট ১৩টি আরটিপিসিআর মেশিন প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। এছাড়া সকল সিএমএইচ-এ পর্যাপ্ত পরিমাণ পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত আছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত সামরিক বাহিনীর পিসিআর ল্যাবরেটরিতে সশস্ত্র বাহিনীর ১০ হাজার ৩৭৮ জন, পরিবারের সদস্য ২ হাজার ১২০ জন এবং বেসামরিকসহ অন্যান্য ৪ হাজার ৬৫৩ জন সদস্যের মোট ১৭ হাজার ১৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রণীত সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগীদের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত চিকিৎসক দ্বারা সার্বক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।