শুক্রবার (১২ জুন) বিকাল ৪টার দিকে গ্রিন রোড সংলগ্ন আইবিএ হোস্টেলের পাশের সড়কের প্রবেশপথে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে প্রশাসনকে। এ সময় ব্যারিকেডের সামনে রাজাবাজার এলাকায় প্রবেশ প্রত্যাশী বেশ কিছু বাসিন্দাকে দেখা গেছে। তবে তাদের কাউকে লকডাউন এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা কঠোর অবস্থানে ছিলেন। অহেতুক অজুহাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের বের হতে দেওয়ায় কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবককে সতর্ক করতে দেখা গেছে তাদের।
সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল বলেন, ‘আগে এই বেড়ার ফাঁক দিয়ে মানুষ বের হয়ে চলে আসতে পারতো। বাজার-সদায়ও আনা-নেওয়া করতে পারতো। এখন সেই সুযোগ নেই। কেউ বের হতে পারছেন না। অনেক কড়াকড়ি রয়েছে। মিডিয়ায় নিউজ হওয়ার কারণে সবাই এখন কঠোর হয়েছে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের হটলাইন চালু রয়েছে। যাদের ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন আমরা তাদের বাসায় বাসায় পৌঁছে দিচ্ছি। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছি। তবে এখনও সিটি করপোরেশন থেকে ত্রাণ সামগ্রী আসেনি।’
ডিএমপির তেঁজগাও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘কয়েক জায়গায় বাসিন্দারা গেট টপকে বের হয়ে যাওয়ার খবর শুনেছিলাম। এরপর আরও কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত মনিটরিং করছি। লকডাউন বাস্তবায়নে যা কিছু করা দরকার আমরা সেসব কিছু করতে প্রস্তুত আছি।’