স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করে কোটি বাঙালির মনের আশাকে পূরণ করেছেন। যোগ্যতার দিক থেকে বিশ্বের দরবারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক অনন্য শিখরে পৌঁছেছেন। সারাবিশ্ব এখন তাকে ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতার একজন বলে মনে করে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর রক্ত প্রধানমন্ত্রীর ধমনীতে প্রবাহিত হচ্ছে বলেই তিনি আজ দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে পেরেছেন। শেখ হাসিনা মাদ্রাসা শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছেন। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করেছেন। ’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে এ দেশের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ইসলাম ধর্মকে ভালোবাসতেন। ইসলাম বা অন্য কোনও ধর্মকে তিনি কখনও ছোট করে দেখেননি। তিনি কাকরাইল মসজিদকে ইসলামি চর্চার জন্য সম্প্রসারিত করেছিলেন। তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমার জন্য জায়গা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। ’
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নর র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নর মিছবাহুর রহমান চৌধুরী , সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী, সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ ও কমপ্লেক্সের খতিব মাওলানা সৈয়দ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী যুক্ত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্রান্ড ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।