তিনি বলেন, হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া বাপ্পি ও ভিকটিম মুন্নার ধাক্কা লাগা নিয়ে ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে প্রায় এক বছর আগে। ওই ঝগড়া পরে শক্রতায় রূপ নেয়। পূর্ব শক্রতার জেরেই মুন্নাকে হত্যা করা হয়। গত ৩০ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে ওয়ারী থানার চন্দ্রমোহন বসাক স্ট্রিটের রাধা গোবিন্দ ঝিউ মন্দিরের কাছে মুন্না (১৮) ও শাহিনকে (১৭) কয়েকজন মিলে চাকু ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এরপর তারা পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুন্নাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত শাহিন গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থাও সংকটাপন্ন।
এ ঘটনায় মুন্নার বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে ৩১ আগস্ট ওয়ারী থানায় মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের শনাক্ত করে ১৭ জনকে গ্রেফতার গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়াদের অধিকাংশই কর্মজীবী কিশোর। এদের মধ্যে চার জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং বাকি ১৩ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে রয়েছে বাপ্পি (২৩), মো. ফেরদৌস (১৮), জিসান (১৯) ও লাবিব (১৮)। গ্রেফতার হওয়া বাকি ১৩ জন অপ্র্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
আরও পড়ুন:
ওয়ারীতে দুই ভাইকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা, একজনের মৃত্যু