সভায় ইমরান আহমদ বলেন, বিদেশফেরত কর্মীদের আর্থ-সামাজিকভাবে পুনর্বাসন ও পুনঃএকত্রীকরণের ক্ষেত্রে বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তাই বিদেশ প্রত্যাগত কর্মী বা রিটার্নিদের সরকারের বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তাদের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, দ্রুততম সময়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে তথ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে সুরক্ষা সেবা বিভাগের নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের সমন্বয়ে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মাল হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খলিলুর রহমান, সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগ) আজহারুল হক, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) মীর শহিদুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি নজরুল ইসলাম ও তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।