নিহত গৃহবধূর ভাতিজা আকিদুল ইসলাম জানান, কামরাঙ্গীরচর হুজুর পাড়ায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন সেলিনা বেগম। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। স্বামী এসএম ওবায়দুল্লাহ রাতে বাড়িতে ফিরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিহত গৃহবধূর গলার নিচে বুকে ও বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল।
এদিকে নিহত গৃতবধূর বড় ভাই মনিরুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, এসএম ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে আগে তার আরেক বোনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। প্রথম স্ত্রী কিডনি রোগে মারা যাওয়ার পর পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ছোট বোন সেলিনাকে বিয়ে করে ওবায়দুল্লাহ। তার অভিযোগ, বোন জামাই ওবায়দুল্লাহ ও তার ছেলেমেয়েরা পরিকল্পনা করে সেলিনাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
মনিরুজ্জামান আরও জানান, সেলিনাকে বিয়ে করার পর তার আগের বোনের ছেলে ইতালি প্রবাসী মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব ও মেয়ে ইতি সেলিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। পরিবারকে না জানিয়ে সেলিনাকে বিয়ে করার কারণে ছেলেমেয়েরা খুব ক্ষিপ্ত ছিল।