রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের গ্রেটওয়াল সিটি বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার নোমান নব্য জেএমবি’র একজন সক্রিয় সদস্য। অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এটিইউ সূত্র জানায়, নোমানের কাছ থেকে ২টি মোবাইল সেট,বালাকোট মিডিয়ার বই ও অন্যান্য উগ্রপন্থী বই উদ্ধার করা হয়েছে। এসব বইয়ের মধ্যে একটি বোমা তৈরির ম্যানুয়ালও ছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম খান জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বোমা হামলা ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ আল নোমান খানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার আসামি নোমান তার সহযোগী মোরশেদুল আলম এবং আরও অজ্ঞাতনামা সাত-আট জন গাজীপুরে একটি গোপন বৈঠকে একত্রিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। ওই বৈঠকে যাদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল, তারা সবাই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির বিভিন্ন স্তরের সদস্য। তারা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মক অবনতি ও নাশকতা ঘটানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এটিইউ-এর কর্মকর্তারা জানান, জঙ্গিরা রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে টার্গেট করে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করেছিল। তারা নিজেদের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। নোমানের বিরুদ্ধে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।