মানববন্ধনে জানানো হয়, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ শনিবার (১ নভেম্বর) এক ই-মেইলের মাধ্যমে উক্ত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বাধা প্রদানের উদ্দেশ্যে ইউনিয়নের সব সদস্য ও নেতাকর্মীদের ভীতি প্রদর্শন করেন; যা মানবাধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, আইএলও কনভেনশন এবং শ্রম আইনের পরিপন্থী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জরুরিভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের অনুরোধ জানান সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হক।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আপনারা সবাই জানেন, গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের ৮ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করা সাধারণ সম্পাদক মিয়া মাসুদকে গত ২৭ অক্টোবর বিকালে এক ই-মেইলের মাধ্যমে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের কর্মী ও সাধারণ কর্মীরা এর বিরুদ্ধে এবং মিয়া মাসুদকে স্বপদে পুনর্বহাল করার জন্য ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। চাকরিচ্যুত করার পরের দিন গ্রামীণফোনের সাধারণ কর্মীরা জিপি হাউজের সামনে, দ্বিতীয় দিনে শ্রম ভবনের সামনে, শনিবার গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং সংবাদ সম্মেলন পরবর্তীতে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন।
তারা আরও বলেন, এটা তারা করছেন সাংবিধানিক অধিকার বলে। ফ্রিডম অফ স্পিচ এবং ফ্রিডম অফ অ্যাসোসিয়েশন করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক ও কর্মীর। এই সাংবিধানিক অধিকার কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই হরণ করতে পারে না। যদি কেউ হরণ করে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।