এর আগে সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ছিলেন। এছাড়া তিনি হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের কো-চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি, ঢাকার জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার মুহতামিমের দায়িত্বে ছিলেন।
তার জানাজায় ইমামতি করেন তার ছোট ছেলে মুফতি জাবের কাসেমী। আলেম ও রাজনীতিবিদরা জানাজায় অংশ নেন। এসময় অংশ নেন মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, জমিয়ত নেতা মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, বেফাক সভাপতি মাহমুদুল হাসান, হেফাজত আমির জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আব্দুল হামিদ, মাওলানা নাজমুল হাসান, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ্ আইয়ুবী, মাওলানা হাসান জামিল প্রমুখ।
বায়তুল মোকাররম মসজিদ ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকায়ও জানাজা উপলক্ষে লোক সমাগম হয়। স্বাস্ব্যবিধি মানার অনুরোধ করা হলেও বেশিরভাগ মানুষ তা মানেননি।
উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) মারা যান নূর হোসাইন কাসেমী। গত ১ ডিসেম্বর ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার কারণে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।