শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ-উর-রহমানের আদালত এই আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলো— লিয়াকত হোসেন ওরফে জাকির, বাদল খান, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল হোসেন, শিহাব, মালেক ফরাজী ওরফে সাগর, জসিম, ওবায়দুল ও মমতা। এর মধ্যে মমতার এক দিনের এবং বাকি আট আসামিকে চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
শ্যামপুর থানায় দায়ের হওয়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় শুক্রবার আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ‘সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম (ডিবি)-গুলশান বিভাগের এসআই এছাহাক আলী।
আবেদনে বলা হয়,আসামিরা দেশি-বিদেশি জালমুদ্রা তৈরি, বিক্রি ও সরবরাহের অন্যতম হোতা। তারা দেশীয় জাল টাকা তৈরি করার পাশাপাশি ভারতীয় জালমুদ্রা তৈরি ও পাচার করে। এর ফলে দেশে অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলমের নেতৃত্বে ডিবি গুলশান বিভাগ এই অভিযান চালায়। অভিযানে জাল নোট তৈরির পাইকারি ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা নারী-পুরুষসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে জব্দ করা হয় ৩২ লাখ টাকার বাংলাদেশি জাল নোট ও ২০ লাখ ভারতীয় রুপি। তাদের বিরুদ্ধে শ্যামপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়।