তিনি বলেন, গত ২৭ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইম অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন টিমের পরিদর্শক কাজী মো. নাসিরুল আসামি সাংবাদিক ইমরান ও চঞ্চল পালমাকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমেন চন্দ্র মণ্ডলের আদালত শুনানির জন্য ২৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মামলার আসামি ইমরান হোসেন সুমন ও বাদী একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এই সম্পর্কটি কোনও একটি কুচক্রী মহল ভাল ভাবে না নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। ওই উপস্থাপিকার স্বামীর ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন অপরিচিত আইডি থেকে আপত্তিকর ও অশ্লীল বার্তা দিয়ে তার বিষয়ে খারাপ মন্তব্য করে।
যার ফলে অজ্ঞাত খারাপ মহলটির ফাঁদে পা দিয়ে বাদী মামলাটি দায়ের করেন। প্রকৃতপক্ষে আসামি ইমরান হোসেন সুমন ও তেজগাঁও ফুয়াং ক্লাবের রিসিপশনিস্ট চঞ্চল পালমা পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ওই উপস্থাপিকার অশ্লীল মন্তব্য ও আপত্তিকর ছবি বার্তার মাধ্যমে প্রচার করেছে বলে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এ মামলা থেকে আসামি ইমরান হোসেন সুমন ও চঞ্চল পালমাকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।
আপত্তিকর ছবি প্রকাশ করায় ১২ জুলাই ভুক্তভোগী ওই উপস্থাপিকা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮ (৩) ও ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯ ধারা দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ২৩ মে ওই উপস্থাপিকার স্বামীর ফেসবুক মেসেঞ্জারে বিভিন্ন আইডি থেকে আপত্তিকর এসএমএস করে তার বিষয়ে খারাপ মন্তব্য করেন, যা দেখে তার স্বামীর মন-মানসিকতা খারাপ হয়ে যায়। একপর্যায়ে তার স্বামী বিষয়গুলো শেয়ার করেন। পরে ওই উপস্থাপিকা বিষয়টি নিয়ে মিরপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু ডায়েরি করার পরও অজ্ঞাত বিবাদীরা হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে তার নাম করে স্বামী, দেবর, মাকে বিভিন্ন আপত্তিকর এসএমএস ও ছবি পাঠাতে থাকেন।