বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষণের মতো ঘটনা বেড়েই চলছে। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ৯০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যকর করতে হবে। সোমবার (১১ জানুয়ারি) কলাবাগান মাঠের সামনে ধর্ষণবিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন বক্তারা।
রাজধানীর কলাবাগানে শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ এবং অভিযুক্ত দিহানের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে নাগরিক অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীজোট।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হাসনাত বলেন, ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত না হলে ধর্ষণ কমবে না। ৩০ দিনের মধ্যে পুলিশের অভিযোগপত্র, ৯০ দিনের মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে। অনতিবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনতে হবে ধর্ষণকারীদের। মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণে ধর্ষণের মতো ঘটনা বেড়েই চলছে।
লেখক ও কলামিস্ট সাইদুর রহমান বলেন, বিকৃত মন-মানসিকতার কারণেই ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটে। যারা ধর্ষণ করে তারা কোনও দল বা গোষ্ঠীর নয়। তারা শুধুই ধর্ষক।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া রায়হান কবীর তার বক্তব্যে বলেন, প্রতিদিনই সংবাদপত্রে ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো উঠে আসছে। যারা ভিকটিমকে ব্লেমিং করছেন তারাও সমান অপরাধী।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের আহবায়ক মাহমুদ হাসান শিবলি বলেন, ভিকটিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, আনুশকা নিজের ইচ্ছায় দিহানের বাসায় গিয়েছিল। যেভাবে দোষারোপ করা হচ্ছে মেয়েটিকে তাতে মনে হচ্ছে এটি সুপরিকল্পিত। দিহান যা করেছে তা শুধু ধর্ষণ। এজন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
এদিকে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে আগামী বুধবার (১৩ জানুয়ারি) কলাবাগান এলাকায় ঘরে ঘরে লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া একইস্থানে একই সময়ে প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’।