লকডাউন চলাকালে খোলা থাকবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ)। জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ সই করা এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৩০ জুনের স্মারকের অনুবৃত্তিক্রমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, মশক নিধন, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক বাতি, রাস্তা, নর্দমা, খাল, ফুটপাতের জরুরি সংস্কার ও পরিষ্কার, জলাবদ্ধতা নিরসনসহ জরুরি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে লকডাউন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য জনস্বার্থে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন এবং সকল আঞ্চলিক কার্যালয়, বিভাগ ও শাখার শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা লকডাউনের আওতামুক্ত থেকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবেন।
অফিস আদেশে অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লকডাউনের সময় কর্মস্থল ত্যাগ না করতে এবং জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য মোবাইল ফোন চালু রাখতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশন এলাকাধীন শপিংমল ও মার্কেটসহ সকল দোকানপাট, কমিউনিটি সেন্টার, সামাজিক বিনোদন কেন্দ্র, পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় সকাল ৮টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় করা যাবে। লকডাউনের আওতামুক্ত অত্যাবশ্যকীয় সেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ প্রতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব যানবাহনের মাধ্যমে অফিসে যাতায়াত করবেন। জরুরি প্রয়োজনে ৯৫৫৬০১৪ এবং ০১৭০৯-৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যাবে।
অপরদিকে উত্তর সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল বাসার মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরুরী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমিত পরিসরে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নগর ভবন খোলা থাকবে।