নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনজনের মধ্যে ঘটনার দিন স্থানীয় হাসপাতালে মারা যান দুজন আর ঢামেক হাসপাতালে একজন।
ঢামেক হাসপাতাল মারা যাওয়া মোরসালিন হক (২২) এর ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয় শনিবার (১০ জুলাই) দুপুরে। এর আগে তার সুরতহাল করে শাহবাগ থানার পুলিশ।
শনিবার (১০ জুলাই) ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুন নবী। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে দাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
মোরসালিন হক দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার সুদেবপুর গ্রামের আনিসুর হকের ছেলে। চাকরির সুবাদে রূপগঞ্জ উপজেলার গাউছিয়ায় থাকতো সে।
নিহতের মামা জুয়েল হক জানান, ওই ফ্যাক্টরির তৃতীয় তলায় ব্লু মারলিন বোতল মেশিনারিজ অপারেটর হিসেবে চার বছর যাবত কাজ করতো মোরসালিন। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল বড়। ঘটনার সময়ে লাফিয়ে পড়ে আহত হয় সে। পরে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে ঐদিন রাতেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দাফনের জন্য বিকেলে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হন তারা।
অপরদিকে, ঘটনাস্থলে মারা যাওয়া স্বপ্না রানী ও নিনার মরদেহ শুক্রবার রূপগঞ্জ থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান সিনিয়র সহকারী কমিশনার নুরুন নবী।
ঢাকা মেডিক্যাল এবং সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রয়েছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ৪৮ জনের মরদেহ।