মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব তৃণমূল পর্যন্ত উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে উদযাপনের অংশীদার করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লক্ষ্যে গঠিত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির পঞ্চম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হক এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের অনুমোদিত পরিকল্পনার আলোকে বছরব্যাপী নানান আয়োজন বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান আয়োজনে সরাসরি ও ভার্চুয়াল উভয় প্লাটফর্ম ব্যবহারের ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভাকক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব কামাল হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক লে. কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব সুভাষ সিংহ রায় উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সভায় ভার্চুয়ালি স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মকবুল হোসেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর, এডিটরস গিল্ডের সভাপতি মোজাম্মেল বাবু, কবি তারিক সুজাতসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।