এ নিয়ে জানতে চাইলে চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবীর খানকে কল করা হলে তার সেল নাম্বার বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে, খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এক সদস্য জানান, তিনি এখনও বিষয়টি জানেন না।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এটা পুলিশ লাগায়নি। আদালতের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা লাগিয়েছেন।
এর আগে সোমবার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আগামী ৩ মার্চ হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারির আদেশ দেন আদালত। বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা গ্রহণ করে এ নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম রাশেদ তালুকদার।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী বাদী হয়ে আদালতে মামলার আবেদন করেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়া বিরুদ্ধে মামলা আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করারও আবেদন করা হয়। আদালতে বাদীপক্ষে শুনানি করেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছর ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লক্ষ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’ খালেদা জিয়া আরও বলেন ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’ এরপর ২৩ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যে ‘দেশদ্রোহী’ মনোভাব পাওয়া যাচ্ছে অভিযোগ করে তা প্রত্যাহার করতে লিগ্যাল নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক মোমতাজ উদ্দিন আহমদ। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারা মোতাবেক রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানান তিনি। রবিবার এ মামলা করার অনুমতি পেলে সোমবার সকালে তিনি মামলা করেন।
/এসটিএস/এমএনএইচ/