সীতাকুণ্ডে আগুন: বার্ন ইনস্টিটিউটে চার ও ঢামেকে একজন চিকিৎসাধীন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট চারজনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রবিবার (৫ জুন) দুপুরে কনটেইনার ডিপো’র ইমপোর্ট শিফট ইনচার্জ মইনুল হক চৌধুরীকে (৪০) বার্ন ইনস্টিটিউটে সর্বশেষ ভর্তি করা হয়। এ নিয়ে এ পর্যন্ত সেখানে চার জন চিকিৎসাধীন।

দগ্ধের বড় ভাই আবু নুর মোস্তফা জানিয়েছেন, গতকাল রাত আটটা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ডিপোতে তার ডিউটি ছিল। আগুনে তার শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে সেখান থেকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় আমিন (১৯) নামে আরও একজন আহত হয়। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে ঢামেক হাসপাতালে বিকাল ৫টার দিকে নেওয়া হয়। আহত আমিন জানান, সে ডিপোর বাইরে একটি দোকানে বসে ছিলেন। রাতে হঠাৎ বিস্ফোরণে আগুনের কিছু একটি উড়ে এসে তার কোমরের দিকে লাগে।

এর আগে,  রবিবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে এক পুলিশ সদস্যসহ দগ্ধ তিনজনকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।

আগে ভর্তি হওয়া তিনজন হলেন— শিল্প পুলিশের সদস্য এসআই কামরুল হাসান(৩৭), খালেদুর রহমান (৫৮) ও এ কে এম মাকফারুল ইসলাম (৬৫)। অন্য দুজনের মধ্যে একজন স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যজন ডিপোর নিরাপত্তাকর্মী।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন আইউব হোসেন জানিয়েছেন, খালেদুরের ১২ শতাংশ, একেএম মাকফারুলের ১২ শতাংশ, কামরুল হাসানের ৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন, ভর্তি তিনজনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের আইসিইউ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।