বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা এগিয়ে এসেছে দগ্ধদের উদ্ধার ও সহায়তায়। পিছিয়ে নেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো।
শনিবারের (৪ জুন) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরদিন সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অস্থায়ী বুথ স্থাপন করেছে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ।
সেইসঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও একই ধরনের বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এসব বুথ থেকে সীতাকুণ্ডে দগ্ধদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে চিকিৎসাধীন রোগীদের রক্ত, স্যালাইন ও স্বজনদের খাবার-পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
সোমবার (৬ জুন) সকাল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের টিমকে কাজ করতে দেখা গেছে বার্ন ইনস্টিটিউটে। দুই শিফটে ১০ জন করে দায়িত্ব পালন করছেন তারা।
সংগঠন দুটির পৃথক বুথে রক্ত ও প্লাজমা দিতে আগ্রহীদের তালিকা, স্যালাইন ও খাবার নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আসে বার্ন ইনস্টিটিউটে।
তারা কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রোগীদের খোঁজখবর নেন।
সুজিত রায় নন্দী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঘটনার পর থেকে তার দল ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের বুথে দায়িত্ব পালন করা ঢাকার আনন্দ বাজার ইউনিট শাখার সভাপতি জহির হোসেন লিটন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মেডিক্যাল ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন তারা। কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনায় চলছে বার্ন ইনস্টিটিউটে তাদের বুথের কার্যক্রম।
ছাত্রলীগের বুথে দায়িত্বরত সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তুর্য বলেন, মানবিক কারণে তারা বুথ স্থাপন করে দগ্ধদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বেশ কয়েকজনকে রক্ত ও প্লাজমা দেওয়া হয়েছে। খাবার ও স্যালাইনও দেওয়া হয়েছে।
এ সময় ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক শেখ সাদি মো. শাহেদ ও সদস্য পরশ রহমান রাফসানজানিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সীতাকুণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে বর্তমানে ১৪ জন চিকিৎসাধীন।