তিন নেতার মাজারে পুলিশের সঙ্গে যুবকের হাতাহাতি

রাজধানীতে শিশু অ্যাকাডেমির পশ্চিম পাশে পাশে তিন নেতার মাজার এলাকায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পুলিশ ও এক ডেকোরেটর শ্রমিকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে তারা দুই জনই আহত হন।

আহতরা হলেন শাহবাগ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইদ্রিস আলী বকুল ও ডেকোরেটর শ্রমিক ইফতেখার হাসান তালুকদার মিথন (৩৫)।

বৃহস্পতিবার (৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঘটনাটি ঘটে।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আহত দুজন জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।’

আহত পুলিশ সদস্য ইদ্রিস আলী জানান, ডিউটির সময় শাহবাগে তিন নেতার মাজার এলাকায় দুই ব্যক্তি নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করছিল। তাদের থামাতে গেলে ইফতেখার আমার ওপর চড়াও হয়। এ সময় দেয়ালের সঙ্গে মাথা ধাক্কা লেগে ইফতেখার আহত হয়।

ইদ্রিস আলী বলেন, ‘ইফতেখার আমাকে মারধর করে, আমার ইউনিফর্ম ধরে টানতে থাকে। তখন আমার ওয়ারলেস সেটটি ভেঙে যায়।’

পরে আমি ঢাকা মেডিক্যালে এসে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই। তাকেও সঙ্গে করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসি।’

অপরদিকে এ ঘটনায় আহত ইফতেখার জানান, মতিঝিল এজিবি কলোনিতে ‘মামুন অ্যান্ড ব্রাদার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে তিনি ডেকোরেটর ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করেন।

তিনি জানান, বিকালে আরেক কর্মচারী রিদওয়ানকে নিয়ে একটি কাজে তিন নেতার মাজারে আসি। আমরা মাজারের সামনে ফুটপাতে বসে ছিলাম। এ সময় রিদওয়ানের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। আমি রিদওয়ানকে মারধর করি। তখন রিদওয়ানের চিল্লাচিল্লিতে ডিউটে থাকা এএসআই  ইদ্রিস আলী এগিয়ে আসেন।

ইফতেখার অভিযোগ করেন, এএসআই ইদ্রিস কোনও কারণ ছাড়াই আমাকে মারধর করেন। পাশে থাকা একটি লোহার দণ্ড দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে আমার মাথা ফেটে যায়। এ সময় আমার কাছে থাকা ৮ হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ হারিয়ে যায়।

শাহবাগ থানার এস আই মো. সেলিম জানান, তিন নেতার মাজারে ২ যুবক মারামারি করতে থাকায় আমাদের পুলিশ সদস্য তাদের বাধা দেন। তুচ্ছ ঘটনায় হাতাহাতির পর্যায়ে পুলিশ সদস্য ইদ্রিস আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ইফতেখারকেও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।’