ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের হাতিরঝিল থানা হেফাজতে মারা যাওয়া সুমন শেখ ওরফে রোম্মানের মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর বুঝে নিলেন বাবা পেয়ার আলী। আজিমপুরে তাকে দাফন করা হবে। তবে লাশ বুঝে নেওয়ার বিষয়টি জানেন না নিহতের স্ত্রী।
সোমবার (২২ আগস্ট) বিকালে হাতিরঝিল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে পেয়ার আলীর কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুল কুদ্দুস।
তিনি বলেন, থানায় আত্মহত্যা করা রোম্মানের মরদেহ বুঝে নিয়েছেন তার বাবা ও বড় ভাই। মরদেহ বুঝে নেওয়ার পর তারা মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের আল মারকাযুলে গোসলের জন্য নিয়ে যান।
আব্দুল কুদ্দুস বলেন, রামপুরা ডিআইটি রোডে তারা মরদেহ নিতে পারেন। তবে দাফন কোথায় হবে সে বিষয়ে কিছু বলেননি নিহতের বাবা।
এদিকে পুলিশের কাছ থেকে মরদেহ বুঝে নেওয়ার বিষয়টি জানেন না রোম্মানের স্ত্রী। এ বিষয়ে নিহতের শ্যালক সাইফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ বুঝে নেওয়ার বিষয়ে আমরা জানি না। আমাদের কিছু জানানো হয়নি। আমরা আদালতে আছি। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রোম্মানের বোন মুক্তা আক্তার অভিযোগ করেন, পুলিশ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করলে এমন ঘটনা ঘটতো না। বাবা পেয়ার আলী জানান, লাশ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।