২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত রাষ্ট্র গঠনে গেজেট আকারে প্রকাশিত ঢাকা মহানগর এলাকার ‘বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ২০১৬-২০৩৫’ পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, এবারের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় আধুনিক নগর পরিকল্পনার বেশ কিছু কৌশল যেমন ব্লক ডেভেলপমেন্ট, কমিউনিটিভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সেবার বিকেন্দ্রীকরণ, মেট্রো স্টেশনভিত্তিক ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (টিওডি), জনঘনত্ব পরিকল্পনা, ট্রান্সফার অব ডেভেলপমেন্ট রাইট (টিডিআর), ওয়ার্ডভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা এবং মানসম্পন্ন সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিনোদনকেন্দ্র সৃষ্টি, পথচারীবান্ধব পরিকল্পনা, পরিবেশ সংরক্ষণ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ স্থান পেয়েছে, যা নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আরও বলা হয়, বৈশ্বিক শহরগুলোর পরিকল্পনায় এ বিষয়সমূহ গুরুত্বের সাথে বিচার করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলেও বাংলাদেশের শহরগুলোর পরিকল্পনায় এ বিষয়সমূহ ইতোপূর্বে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের ঢাকাসহ বিভিন্ন নগর এলাকার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলেও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত জনসংখ্যার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধাদির প্রকট অভাবের কারণে নগর এলাকাসমূহ বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এই বাস্তবতায় এবারের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় শহরের টেকসই উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা ও বাসযোগ্যতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বিআইপি বিশ্বাস করে।
বিআইপি প্রত্যাশা করে এই জনগুরুত্বপূর্ণ দলিল সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান এই পরিকল্পনার কর্মকৌশল অনুযায়ী তাদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে। পরিকল্পিত রাজধানী গড়ে তুলতে বিআইপি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিআইপি রাজউক তথা বাংলাদেশ সরকারকে সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।