ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে আগুনের ঘটনার পর এখনও স্বাভাবিক হয়নি সেবা কার্যক্রম। গত ১ সেপ্টেম্বর গুলশান-২ এ ডিএনসিসি’র অফিসে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এখনও চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মেরামত ও সরবরাহ কার্যক্রম। ভবনের অষ্টম তলায় মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষ ব্যবহার উপযোগী হয়নি। তাদের স্টাফ অফিসার ও কর্মচারী, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা, তথ্য কর্মকর্তার কক্ষও কাজ করার উপযোগী অবস্থায় আসেনি। ফলে বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে আসা মানুষরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।
সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তাদের স্টাফ অফিসাররা ষষ্ঠ তলা ব্যবহার করছেন। মেয়র আতিকুল ইসলাম আজ রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) অগ্নিকাণ্ড পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। এদিন সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, ডিএনসিসির ভবনে ওঠার লিফট বন্ধ রয়েছে। ফলে ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা মানুষদের হেঁটে ১০ তলা পর্যন্ত বিভিন্ন দফতরে যেতে হচ্ছে।
ভবনের অষ্টম তলায় গিয়ে দেখা যায়, এখনও পুরো ভবনের পুড়ে যাওয়া জিনিসপত্র সরানোর কার্যক্রম শেষ হয়নি। পাশাপাশি চলছে পুড়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক লাইন সরানো ও নতুন সংযোগের কাজ।
কবে নাগাদ অষ্টম তলা পুরোপুরি ব্যবহারোপযোগী হবে জিজ্ঞেস করা হলে, উত্তর সিটির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আবদুর রহিম বলেন, আগামী সপ্তাহে অষ্টম তলার কার্যক্রম শেষ করে ভবন ব্যবহারের উপযোগী করা হবে। পাশাপাশি আমরা আগুনের ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছি। কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এ ঘটনার পেছনের রহস্য বের করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবস সময় দেওয়া হলেও আরও সময় চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে ডিএনসিসি ভবনের অষ্টম তলায় মেশিন রুম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসেন। ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।