ঘূর্ণিঝড়ের নাম সিত্রাং কেন

বাংলাদেশে আঘাত হানতে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ এর নাম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষের আলোচনা। সবার আগ্রহ কীভাবে ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘সিত্রাং’ হলো আর এই নামের অর্থই বা কী?

সাধারণত সমুদ্রে সৃষ্ট কোনো ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টা ৩৯ মাইলের বেশি হলেই সেই ঝড়টি একটি নাম পায়। অন্যদিকে কোনও ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৭৪ মাইল ছাড়িয়ে গেলে তাকে হারিকেন, সাইক্লোন বা টাইফুন হিসেবে ভাগ করা হয়।

জানা যায়, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের নামকরণের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও সেই কমিটিতে রয়েছে আরও ১২টি দেশ; সেগুলো হলো মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, সৌদি আরব ও ইয়েমেন।

এই ১৩টি দেশের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপ নামের ক্রম অনুযায়ী এবার ঘূর্ণিঝড়ের নাম রেখেছে ‘সিত্রাং’। ‘সিত্রাং’ নামটি থাইল্যান্ডের দেওয়া। ভিয়েতনামিজ ভাষায় এর অর্থ ‘পাতা’। আবার সিত্রাং থাইল্যান্ডের বাসিন্দাদের ডাক নামও।

এর আগে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের দেওয়া নাম ‘ফণী’, পাকিস্তানের ‘তিতলি’, মালদ্বীপের ‘আইলা’, থাইল্যান্ডের ‘আম্ফান’।

এমনকি আগেই সিত্রাংয়ের পরবর্তী ঝড়ের নামও ঠিক করা আছে। এরপরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে ‘মন্দোস’। যার নাম দিয়েছে সৌদি আরব। তারপরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘মোচা’, যা ইয়েমেনের দেওয়া নাম।

প্রসঙ্গত, আজ সন্ধ্যা নাগাদ সিত্রাং-এর অগ্রবর্তী অংশ বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে যাচ্ছে। ভোরে এটি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।