২ দফতরে অভিযান, ৪ দফতরে চিঠি দুদকের

ছয়টি অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি সরকারি দফতরে অভিযান চালিয়েছে। আরও চারটি দফতরকে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) আরিফ সাদিক জানান, সরকারি আবাসন গবেষণা প্রতিষ্ঠান হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটে (এইচবিআরআই) জেনারেটর, সাবস্টেশন ও অটো ব্লক মেকিং প্ল্যান্ট স্থাপনে অনিয়ম এবং ২৮ জন নিরাপত্তাকর্মী কাজ করলেও ৪১ জনের বেতন উত্তোলন বিষয়ে অভিযোগ পায় দুদক। এসব অনিয়ম-দুর্নীতি  সম্পর্কে অবহিত হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের দুই সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম রবিবার (৬ নভেম্বর) একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান পরিচালনাকালে দুদকের টিম ওই জেনারেটর, সাবস্টেশন ও অটো ব্লক মেকিং প্ল্যান্ট  পরিদর্শন করে। সবগুলো মেশিনই অকার্যকর দেখতে পায়। এ বিষয়ে ইনস্টিটিউটের বর্তমান মহাপরিচালক এবং প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসারের সঙ্গে প্রজেক্টগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন টিমের সদস্যরা। তাদের ভাষ্যমতে প্রজেক্টগুলো এবং নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ সম্পর্কে ইতোমধ্যে পৃথক পৃথক বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। দুদকের টিম এ সম্পর্কিত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দাখিল করবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। 

অন্যদিকে টাঙ্গাইলের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট সেবা প্রদানে ঘুষ দাবি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদকের স্থানীয় একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযোগকারী ও উপস্থিত সেবাগ্রহীতাদের বক্তব্য গ্রহণ করে। দায়িত্বরত ২ জন আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে  সেবা প্রদানে বিঘ্ন ঘটানোর প্রাথমিক সত্যতা পায় টিম। কার্যালয়ের উপপরিচালকে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ সেবা প্রদান আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট টিম।

এছাড়াও দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) আসা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক কমিশনকে অবহিত করার জন্য ৪টি দফতরে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।