পৌষমেলা সম্প্রীতির সেতুবন্ধন রচনা করে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, পৌষমেলার উৎপত্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে হলেও শত শত বছর ধরে বাংলাদেশের গ্রামবাংলায় এ উৎসব হয়ে আসছে। পৌষমেলা ধনী, গরিব, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির একটি অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন উৎসব। এর মাধ্যমে সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির সেতুবন্ধ রচিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ওয়াইজঘাট সংলগ্ন বুলবুল ললিতকলা একাডেমি মাঠে ‘পৌষমেলা-১৪২৯’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী (১২-১৪ জানুয়ারি) এ মেলার আয়োজন করেছে পৌষমেলা উদযাপন পরিষদ।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভালো পুলি পিঠা তৈরি করতে পারি। বিশেষ করে মায়ের বকুনি থেকে বাঁচতে মায়ের পিঠা তৈরিতে বহুবার সাহায্য করেছি। তাছাড়া আমি ঢেঁকি ভানতেও জানি। এখন আগের সেই ঢেঁকি নেই। মেশিনে ধান মাড়াই, চাল ও চালের গুঁড়া তৈরি হয়। আমাদের নাগরিক যান্ত্রিক জীবনে শীতের রুক্ষ-শুষ্ক-মলিনতার মধ্যে পৌষমেলা যেন এক উষ্ণ আবেশ।’

মেলার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌষমেলা উদযাপন পরিষদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ঝুনা চৌধুরী ও বুলবুল ললিতকলা একাডেমির (বাফা) সভাপতি হাসানুর রহমান বাচ্চু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পৌষমেলা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. বিশ্বজিৎ রায়।