পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেলের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের উপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বৈধ নিয়মকানুন মেনে সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চালকরা।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘পদ্মা সেতুতে বাইক চলার দাবি ও বাংলাদেশের সকল বাইক চালক’ নামে ফেসবুক গ্রুপের ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানান তারা।

‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণে আমরাও গর্বিত অংশীদার’ উল্লেখ করে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘আমার টাকায় আমার সেতু’। তাহলে আমার সেতুতে আমরা কেন মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করতে পারবো না? পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের সময় বলা হয়েছিল, এটি সাময়িক সময়ের জন্য। কিন্তু ৮ মাস অতিবাহিত হলেও মোটরসাইকেল চলাচলের ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তাই আজকে আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি।

তারা বলেন, যে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষার জন্য এমন পদক্ষেপের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু ট্রলার, লঞ্চ ও ট্রাকে বাইক পারাপার তার চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। পদ্মা নদী পার হতে লঞ্চে ৪৫০ টাকা ও ট্রাকে ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে; যা বাইকারদের বহন করা জন্য কষ্টসাধ্যের।

পদ্মা সেতুতে বাইক চলাচল বন্ধ করায় সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা। দারা বলেন, তাই এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে সরকার কর্তৃক আরোপিত সকল বৈধ নিয়মকানুন মেনে বাইক চলাচলের অনুমতি দিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে অবিলম্বে দাবি মানা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা বলেন তারা।

এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান দীপন, সমন্বয়কারী রাকিবুল ইসলাম (বাবু), সদস্য সচিব এস এম নাইম, সদস্য হোসেন আরাফাত, বাইকবিডির অ্যাডমিন শুভ্র সেন, বিক্রমপুর রাইডারসের অ্যাডমিন মো. ইয়ামিন, বাংলাদেশ সচেতন বাইকারস ক্লাবে অ্যাডমিন মো. আরিফ, বাইকার ক্লাব নারায়ণগঞ্জের অ্যাডমিন মো. বেলাল, ন্যাশনাল বাইকার্সের অ্যাডমিন মো. রায়হান প্রমুখ।