ঈদে নিজ গ্রামে সময় কাটাতে পছন্দ করেন চরমোনাই পীর

ঈদের দিনে নিজের এলাকার মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করেন চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম। ইসলামী আন্দোলেনের আমির হওয়ায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন দলটির নেতা-কর্মীরাও। ঈদের দিন নিজ গ্রাম বরিশালের ঐতিহাসিক চরমোনাই মাদ্রাসা ময়দানে ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মুফতি রেজাউল করিম।

মুফতি মুহাম্মদ রেজাউল করিমের ঈদের দিনের শুরু হয় ঈদের জামাতে ইমামতি করে। জামাতের পর এলাকার গণ্যমান্য, দলীয় নেতা-কর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন; সবার খোঁজখবর নেন। বিকালে তিনি চরমোনাই মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সময় কাটান।

বরিশাল জেলার চরমোনাই ইউনিয়নের জন্ম মুফতি মুহাম্মদ রেজাউল করিমের। তার বাবা সৈয়দ ফজলুল করিম ও দাদা সৈয়দ মুহাম্মদ ইছহাক উভয়েই ইসলামি অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিন ছেলে ও তিন মেয়ের জনক মুফতি রেজাউল করিম।

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (ছবি: সাজ্জাদ হোসেন)

চরমোনাই পীর হওয়ায় মুসলমানদের কাছে জনপ্রিয় রেজাউল করিম। দুই মেয়াদে চরমোনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হওয়ায় অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গেও রয়েছে তার সুসম্পর্ক।

ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, পীর সাহেব ঈদের দিন সব সময় নিজ গ্রামে থাকেন। সেখানে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন। স্থানীয় মানুষজনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এদিকে দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি রমজানের শিক্ষা নিয়ে সবাইকে দেশ, ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। শুভেচ্ছা বাণীতে চরমোনাই পীর সর্বস্তরের জনতাকে আন্তরিক মোবারক জানিয়ে সবার মঙ্গল কামনা করেন।

মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল বলেন, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পয়গাম নিয়ে মাহে রমজান এসেছিল। পবিত্র রমজান সবাইকে হিংসা-বিদ্বেষ, মারামারি, পরনিন্দা ছেড়ে দিয়ে আত্মসংযম অর্জন করতে শেখায় এবং আল্লাহর ভয় অর্জনের শিক্ষা দেয়।

রেজাউল আরও বলেন, ফেতনা-ফাসাদ ছেড়ে দিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সত্যিকার দেশপ্রেমিক হিসেবে ইসলাম, দেশ ও মানবতার কল্যাণে কাজ করার শিক্ষা দেয়। সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে মানবতার কল্যাণে কাজ করা উচিত।