ওয়াটার বাস উদ্ধারে আনা হচ্ছে ‌‌রুস্তম

রাজধানীর সদরঘাট এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যাওয়া ওয়াটার বাস উদ্ধারে সদরঘাটে আনা হচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ'র উদ্ধারকারী জাহাজ ‘রুস্তম’। প্রায় ৬ ঘণ্টাব্যাপী চলা উদ্ধার কার্যক্রমে জীবিত ৫ ও মৃত ৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশন অফিসার আব্দুল মালেক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা অনেক চেষ্টা করেছি বাসটা তোলার। এয়ারব্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে, তারপরও তোলা সম্ভব হচ্ছে না। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম আনা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে রুস্তম আসার পর বাসটি তোলা যাবে আশা করছি।

ওয়াটার বাসডুবির পর প্রায় ছয় ঘণ্টা উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকার পর রাত ২টা ৪০-এ উদ্ধার কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শিথিল করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সদরঘাট নৌ থানার উপপরিদর্শক মারুফ বলেন, উদ্ধার কার্যক্রম আপতত শিথিল করা হয়েছে। ভোর থেকে আবারও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হবে। উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম আনা হবে বলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (১৬ জুলাই) রাত সোয়া ৮টার দিকে রাজধানীর শ্যামবাজার থেকে কেরানীগঞ্জের তেলেরঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর অংশে বালুবাহী বালগেটের ধাক্কায় যাত্রীসহ ওই ওয়াটার বাস ডুবে যায়। এ সময় অনেকে সাঁতার কেটে তীরে পৌঁছাতে পারলেও অনেকেই নিখোঁজ হন। পরে উদ্ধারকারীরা ডুবে যাওয়া ওয়াটার বাসের তিন যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।

বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের স্থানীয় ডুবুরি ইউনিটসহ নৌপুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে বিআইডব্লিউটিএর টাগ জাহাজ ‘অগ্রদূত’, ‘বালু’; ফায়ার সার্ভিসের ‘অগ্নি শীতলক্ষ্যা’ জাহাজ তাদের কার্যক্রম শুরু করে।