অভিনেত্রী হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৪ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব ইসলামের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রুফি (৩৬) হিমুর বয়ফ্রেন্ড। গত ৬ মাস আগে থেকে তিনি নিয়মিত হিমুর বাসায় যাতায়াত করেন এবং মাঝে-মধ্যে বাসায় রাত যাপন করতেন। গত ১ নভেম্বর রুফির মোবাইল নম্বর ও ভিগো আইডি ব্লক দেন হিমু। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝামেলা হয়। গত ২ নভেম্বর বিকাল ৩টার দিকে রুফি হিমুর বাসায় এসে কলিং বেল দিলে হিমুর মেকাপম্যান মিহির বাসার মূল দরজা খুলে দেন। রুফি বাসায় ঢোকেন। এরপর মিহির তার রুমে চলে যান। বিকাল ৫টার দিকে মিহিরের রুমে গিয়ে রুফি চিৎকার করে বলতে থাকেন হিমু আত্মহত্যা করেছে।
তখন মিহির তাকে বলেন, আপনি তো রুমেই ছিলেন। জবাবে রুফি বলেন, তিনি বাথরুমে ছিলেন এবং ওই সময় হিমু রুমের সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে রশি লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মিহির সঙ্গে সঙ্গে হিমুর রুমে ঢোকেন এবং তার গলায় রশি লাগানো ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। রুমে থাকা দুটি কাঁচের গ্লাস ভাঙা অবস্থায় ছিল। মিহির ও রুফি মিলে হিমুকে উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রুফি তখন হিমুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দুটি নিয়ে কৌশলে সেখান থেকে চলে যান।
হিমুর মৃত্যুর ঘটনায় তার খালা নাহিদ আক্তার গত ২ নভেম্বর রাতে জিয়াউদ্দিন ওরফে রুফিকে আসামি করে মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর রুফিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুর রহস্যজনক মৃত্যু