প্রায় ১৪ বছর আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ছিলেন একা। থাকতেন মুদগা এলাকায়। দীর্ঘ দিনের একাকিত্বের হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। প্রাথমিকভাবে এমনটাই ধারণা করছে পুলিশ।
মুদগা থানার ওসি আহসানউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক তানভীর হোসেইন শুভ (৪৫) মুগদা এলাকার একটি বাসায় একা থাকতেন। তার স্ত্রীর সাথে ২০১২ সালের দিকে বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তিনি মূলত একাই থাকতে শুরু করেন। তার পরিবার সেগুনবাগিচা এলাকায় থাকলেও তিনি মুদগা এলাকায় ছিলেন। দীর্ঘদিনের হতাশা থেকে হয়তো তিনি আহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে উত্তর মুগদার আহমদবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে তানভীর হোসেইন শুভর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ বলছে, বাসার দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে পচন ধরেছিল। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশ জানায়, তানভীর হোসেইন শুভর বাবার নাম তবারক হোসেইন। তাদের পারিবারিক বাসা রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায়। তবে তিনি বর্তমানে উত্তর মুগদার ওই ভাড়া বাসায় একা থাকতেন। ঈদের দিন সর্বশেষ তাকে ওই বাসায় দেখেছিলেন বাড়ির মালিক। এর পর থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বাড়ির লোকজন পুলিশকে খবর দেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী তানভীর হোসেইন শিক্ষাজীবন শেষে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পরিচালক হন তিনি।









