প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

এবার শিক্ষক হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে’ শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরী ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক। প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনে গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রকাশ হয়।

প্রতিবাদলিপিতে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরী ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক জিনাত ফারহানা বলেন, ‘বিপাশা ইয়াসমিনকে আটকে রাখা হয়েছে বলে যে দাবি করেছেন, সেদিন ১২ থেকে ১৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তার করা সাধারণ ডায়েরির তদন্ত কর্মকর্তা তার পক্ষে শিক্ষকদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য উপস্থিত ছিলেন। সে অবস্থায় যখন তার করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট প্রমাণিত হচ্ছে, তখনই বহিরাগত কিছু ছেলেদের প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ডেকে এনে সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মারধর করায়। পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনাগুলো ঘটে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ, সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সবার সামনে সে তার পুরোনো মিথ্যা কথাগুলো সে বলে যায়। উপস্থিত সবাই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাকে তার এসব উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড থেকে নিবৃত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।’

প্রতিবাদলিপিতে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, ‘আমাকেসহ ১৯ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্টে মিথ্যা মামলা ও থানায় বানোয়াট ডায়েরি করেছেন। আমাকে অসম্মান ও হয়রানি করার জন্য পত্রপত্রিকা-মিডিয়ার আশ্রয় নিয়েছেন। আর এতে সহায়তা করছেন তার স্বামী।

প্রতিবেদনের বক্তব্য

‘প্রকাশিত সংবাদের একাংশে বলা হয়, রাজধানীর মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক জিনাত ফারহানার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, আর্থিক দুর্নীতির পর এবার শিক্ষক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অনিয়ম থাকলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বিগত সরকারের সময়। এমনকি গত ৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপাশা ইয়াসমিনকে স্কুলের কক্ষে আটকে রেখে হেনস্তা করেন তিনি। সেনাবাহিনীর সহায়তায় ওই শিক্ষক মারধরের হাত থেকে রক্ষা পান।’

আদালতে করা মামলা এবং থানায় সাধারণ ডায়েরির অভিযোগ থেকে তথ্য নিয়ে এবং তা উল্লেখ করে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, দুর্নীতি কমিশনের দেওয়া অভিযোগ সূত্রও এতে উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বোপরি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদ করার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনও বক্তব্য যুক্ত করা হয়নি।

আরও পড়ুন:

এবার শিক্ষক হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে