লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৫৭ জন

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে এসেছেন আরও ৫৭ জন বাংলাদেশি। বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় তারা দুবাই হয়ে শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাত ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৬৪৩ জন বাংলাদেশিকে সরকারি খরচে এবং ১৫৭ জনকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার স্পন্সরে নিয়ে আসা হয়েছে।  

বাংলাদেশিদের ফেরত আনার বিষয়ে সহায়তা করছে সেখানকার দূতাবাস। এর মধ্যে গত ২১ অক্টোবর প্রথম দফায় ফিরে এসেছেন ৫৪ জন। এরপর ২৩ অক্টোবর দুটি ফ্লাইটে ৯৬ জন, ২৮ অক্টোবর মধ্যরাতে ৩০ জন, ২৯ অক্টোবর রাতে ৩৬ জন, ৩১ অক্টোবর ৫২ জনকে, ৩ নভেম্বর ৭০ জন, ৫ নভেম্বর ৩২ জনকে এবং ১২ নভেম্বর ৯৫ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এছাড়া গত ৫ নভেম্বর আইওএম স্পন্সর চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় ১৫১ জনকে এবং গত ২১ নভেম্বর একটি ফ্লাইটে ছয় জনকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে আইওএম। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৮০০ জনকে লেবানন থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

দূতাবাস জানায়, লেবাননে চলমান সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় যত জন প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে চায় তাদের সবাইকেই সরকার নিজ খরচে দেশে ফেরত আনবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, লেবাননে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় দেশে যেতে দূতাবাস বরাবর আবেদন করেছেন এবং যাদের পাসপোর্ট, আকামাসহ আবশ্যক ট্রাভেল ডকুমেন্টস প্রস্তুত রয়েছে, তাদের যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লেবাননে চলমান সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় যত জন প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে ইচ্ছুক, তাদের সবাইকেই সরকার নিজ খরচে দেশে ফেরত আনবে। বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাস দেশে ফিরে আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তনের জন্য এবং যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি ফিরে আসতে অনিচ্ছুক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে।