ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নিরাপত্তার জন্য আগামী ১৬, ২৫ ও ৩১ ডিসেম্বর এবং পহেলা জানুয়ারি মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন বন্ধ রাখার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি। পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ সিন্ডিকেট সদস্যকে ডাকা হবে না বলেও জানান তিনি।
বাদ পড়া ৫ সদস্য হলেন— বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ, মুহসীন হলের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আবু হোসেন মোহাম্মদ আহসান, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার বিভাগ সহযোগী অধ্যাপক মো. শরিফুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহিন মোহিদ।
সাইফুদ্দীন বলেন, ‘‘সিন্ডিকেটে সর্বমোট ১৮ জন সদস্য। এরমধ্যে তিনজন রাষ্টপতি নিয়োগ দেন। নতুন তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই সিন্ডিকেটে যারা রয়েছেন— তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলের ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন চাইলেই তাদের বাদ দিতে পারে না। এখানে একটি আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে। সেজন্য একটি ‘ল রিভিউ কমিটি’ গঠন করা হয়। সেই কমিটি কিছু বিষয় পর্যালোচনা করে একটি ফলাফল দিয়েছে। দুই ক্যাটাগরির কথা বলেছেন।’’
তিনি জানান, ‘যারা ডীন ও প্রভোস্ট ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হয়— তারা ডীন ও প্রভোস্টদের প্রতিনিধিত্ব করে। যেহেতু তারা ডীন ও প্রভোস্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সেহেতু তারা সিন্ডিকেটে আর প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেব না। আর শিক্ষক ক্যাটাগরিতে যারা নির্বাচিত হয়েছেন— যেমন প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে যেহেতু তারা পদোন্নতি পেয়েছেন, সেহেতু তারা সিন্ডিকেটে আর প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না। তবে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে যিনি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি এলিজিবল থাকবেন।’