উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত একে একে ৩২টি তাজা প্রাণ ঝরেছে। আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন আরও ১৬৪ জন। নিহত ও আহতদের অধিকাংশই শিশু। এরমধ্যে ৪৩ জন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন।
দগ্ধ শিশুদের ক্ষতস্থানে যাতে কোনও ধরনের ইনফেকশন না ছড়ায়, সেজন্য স্বজনদের প্রবেশ সীমিত করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এজন্য বার্ন ইনস্টিটিউটের সামনে পুলিশ, আর্মি, র্যাব এবং আনসার সদস্যদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের সামনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চার স্তরের এই নিরাপত্তার লক্ষ্য করা যায়।
এছাড়াও চিকিৎসাধীন রোগীদের আত্মীয়-স্বজনদের সীমিত পরিসরে অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পর ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে দুর্ঘটনায় দগ্ধ ও আহতদের চিকিৎসায় সহায়তার জন্য সিঙ্গাপুর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল এগারোটায় তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।