মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত ও ট্রমা আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সুস্থ করে তোলা এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি শাখার প্রধান শিক্ষক খাদিজা আক্তার।
প্রধান শিক্ষক বলেন, আমরা এখনই দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারছি না। একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী এখনও হাসপাতালে মৃতের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এখন আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি অসুস্থ বাচ্চাদের চিকিৎসা ও প্রত্যেকটা শিক্ষার্থীকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদের ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করায়।
প্রধান শিক্ষকের ভাষায়, আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থী ট্রমাটাইজড হয়ে আছে। তাদের মানসিকভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কাউন্সেলিং অত্যন্ত জরুরি। তাই আমরা প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাউন্সেলরের মাধ্যমে সাহায্য করার চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, আমরা সব শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। যারা মারা গেছেন, তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য আমরা চূড়ান্ত যুদ্ধ করবো। যাতে তাদের সুস্থ করে ফিরিয়ে আনতে পারি।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই দুপুরে উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার আলী নামে একটি দোতলা ভবনে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় শনিবার (২৬ জুলাই) দিুপুর পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে।