স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পালাবদলের মুহূর্ত ২০২৪ সালের জুলাই। গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসের দিনগুলো ফিরে দেখতে বাংলা ট্রিবিউনের এই প্রয়াস।
আজ ২৯ জুলাই। ২০২৪ সালের এই দিনে সরকার ছাত্রনেতাদের মুক্তির আল্টিমেটাম উপেক্ষা করার পরে ছাত্র এবং জনগণ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারের বিক্ষোভ পুনরায় শুরু করে। ঢাকায় ২ হাজার ৮২২ শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশ।
এদিন জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয় সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে খাওয়ার ছবি শেয়ার করাসহ ছয় কোটা সংগঠককে উপস্থাপন করা নিয়ে ডিবিকে তিরস্কার করে হাইকোর্ট।
সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাবেশ’ ব্যানারে ছাত্র হয়রানি ও গণগ্রেফতার বন্ধের আহ্বান জানান। তারা আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানান এবং চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মুহূর্ত নীরবতা পালন করা হয়।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে ৩০ জুলাই শোকদিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। সরকার ঘোষিত শোকদিবস প্রত্যাখ্যান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
ডিবি হেফাজতে থাকা সমন্বয়কদের দেখতে যান তাদের স্বজনরা। পরে তারা সময় টেলিভিশন ও একাত্তর টেলিভিশনকে প্রতিক্রিয়া জানান। এতে হাসনাত আবদুল্লার ভাই বলেন, হাসনাত বলেছে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়নি। তাদের কোনও সমস্যা করে নাই, ভালো আছে। নুসরাত তাবাসসুমের মা বলেন, এখানে এসে স্বস্তি পেয়েছি। আমার মেয়ে যথেষ্ট ভালো আছে। আপ্যায়ন পেয়েছে। তার সঙ্গে আমিও আপ্যায়ন পেয়েছি। নাহিদ ইসলামের মা-ও বলেন, নাহিদ ভালো আছে। একই কথা বলেছেন হেফাজতে থাকা আরও চার সমন্বয়কের স্বজনরাও।