ঢাকা-১ থেকে দোহার-নবাবগঞ্জ আলাদা না করার দাবি ও মানববন্ধন

তৃতীয় দিনের মতো সংসদীয় এলাকার সীমানা নিয়ে দাবি-আপত্তির শুনানিতে ঢাকা-১ সংসদীয় আসন থেকে দোহার-নবাবগঞ্জকে আলাদা বা পুনর্বিন্যাস না করার দাবি জানিয়েছেন দোহার-নবাবগঞ্জের বাসিন্দারা। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে মানববন্ধন করেছেন দোহার-নবাবগঞ্জবাসী।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে তৃতীয় দিনের মতো সংসদীয় এলাকার সীমানা শুনানিতে এই দাবি জানানো হয়। এছাড়া দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে একদল এলাকাবাসী ঢাকা-১ আসনকে পুনর্বিন্যাস না করার দাবি জানিয়েছেন।

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সামনে অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জকে আলাদা করে দোহারকে একটা আসন করা হলে উন্নয়নমূলক কাজে বাধাগ্রস্ত হবে। আবার অনেকে নির্বাচনকে বিলম্বিত করার জন্য ঢাকা-১ আসনকে ভাগ করতে চাচ্ছেন। আমরা মনে করি, এটা একটা ষড়যন্ত্র। আমরা আশা করি, এটা যেভাবে আছে, সেভাবেই রাখা হবে।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন যাতে বিলম্বিত হয়, সেই কারণে অনেকে আবেদন করেছেন। যদি ঢাকা-১ আসন দোহারকে আলাদা করা হয় এবং নবাবগঞ্জের কিছু অংশ নিয়ে যদি তা করা হয়, তাহলে এখানকার ভুক্তভোগী যারা আছেন, তারা হয়তো মামলা করতে পারেন। মামলা করলে হয়তো দেখা যাবে, ওই মামলার শুনানির কারণে তখন আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে যাতে না হতে পারে, এই একটা ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য অনেকেই আবেদন করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই সবার স্বার্থে ঢাকা-১ আসনকে একসাথেই রাখা হোক। আমরা দোহার-নবাবগঞ্জবাসী একসঙ্গে থাকতে চাই। কেউ বিভ্রান্ত সৃষ্টি করলে কোনও কাজ হবে না।

এদিকে, তুরাগকে সংসীয় আসন ঢাকা ১৮ থেকে নিয়ে ঢাকা ১৬ সংযুক্ত না করারও দাবি জানিয়েছে তুরাগের সর্বস্তরের জনগণ।

এসময় ফুয়াদ হোসেন নামে এলাকাবাসী সাংবাদিকদের বলেন, তুরাগের জনগণ ঢাকা-১৮ এর সঙ্গে অভ্যস্ত। তারা ঢাকা-১৬ আসনের সঙ্গে সংযুক্ত হতে চায় না। আশা করি, নির্বাচন কমিশন ঢাকা-১৮ আসনের জনগণের এ দাবিকে মূল্যায়ন করবে।