কমলাপুর রেলস্টেশনে প্রেমিকাকে হত্যার ঘটনায় আসামির দোষ স্বীকার

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে প্রেমিকা শ্যামলী খাতুনকে (২৮) গলা কেটে হত্যা মামলায় প্রেমিক সুজন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মজিদ তাকে আদালতে হাজির করেন। আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘মেয়েটা তালাকপ্রাপ্ত। তাদের দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অলিখিতভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গায় থাকতো। মাঝে কিছুদিন একত্রে ছিল না। অন্যজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। আসামির কাছ থেকে অনেক টাকাপয়সা নিয়েছে। ক্ষোভে খুন করেছে।’

জানা যায়, সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মো. সুজন তার কথিত প্রেমিকা শ্যামলী খাতুনকে ধারালো চাকু দিয়ে মুখমণ্ডল ও গলায় উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে পালানোর সময় ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক সুজনকে তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত জনতার সহায়তায় গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্যামলীকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই মিজানুর রহমান ২৬ আগস্ট রেলওয়ে থানায় মামলা করেন।