রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। শেষ দিনে বাড়ির পথে ছুটছেন কর্মজীবী মানুষ। তবে অন্যান্য বছরের মতো এবার তেমন ভোগান্তি বা উপচে পড়া ভিড় নেই রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে। দীর্ঘ ছুটির কারণে ধীরে-সুস্থে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।
শুক্রবার (২০ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য ঈদের মতো এবার নেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। অনেকটাই ফাঁকা টার্মিনাল। কাউন্টারগুলোতে টিকিট কেনার দীর্ঘ লাইন নেই। বরং যাত্রীদের অপেক্ষায় সময় কাটাচ্ছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। মাঝেমধ্যে দু-একজন যাত্রী এলেই ডাকাডাকি শুরু করছেন শ্রমিকরা। কোথাও কোথাও যাত্রী কম থাকায় বাস ছাড়তেও দেরি হচ্ছে।
বাসস্ট্যান্ডে নেই চিরচেনা চাপ। স্বস্তি নিয়েই বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা।
হানিফ এন্টারপ্রাইজের সুপারভাইজার মাহমুদ হাসান রমজান বলেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ভাগে ভাগে বিভিন্ন দিনে ঢাকা ছেড়েছেন। তাই শেষ দিনে চাপ কম। অনেক ক্ষেত্রে সিট ফাঁকা রেখেই বাস ছেড়ে দিতে হয়েছে।
তিনি জানান, ১৭ ও ১৮ মার্চের দিকে যাত্রীর চাপ বেশি ছিল। এবার মোটের ওপর ঝামেলাহীনভাবেই যাত্রীরা বাড়ি যেতে পারছেন।
সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার শাহনেওয়াজ বলেন, যাত্রীর চাপ একেবারেই নেই। সকাল থেকে কয়েকটি বাস ফাঁকা সিট নিয়েই ছেড়ে গেছে। আরও কয়েকটি বাস ছাড়ার অপেক্ষায় আছে।
ঈগল পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার জয়ন্ত রায় চৌধুরী বলেন, কাউন্টারে তেমন কোনো যাত্রী নেই। অনেক বাস দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু যাত্রী কম।
যাত্রী কম থাকায় কাউন্টারে গেলেই সহজে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। এতে শেষ মুহূর্তের ঈদযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করছেন যাত্রীরা।
যশোরগামী যাত্রী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, সকালে কাউন্টারে এসে সহজেই টিকিট পেয়েছি, যা সাধারণত হয় না। তবে যাত্রী কম থাকায় বাস ছাড়তে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
বগুড়াগামী আফজাল হোসেন বলেন, প্রথমে বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না। পরে পরিবারের অনুরোধে শেষ দিনে রওনা হয়েছি। টিকিট পেতেও সমস্যা হয়নি।