বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে হত্যার অভিযোগসহ মোট তিনটি মামলায় সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনের আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে করা আবেদন প্রত্যাহার হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি মো. তৌফিক এনাম টিপুর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। তবে শুনানির উপযোগী পরিস্থিতি না থাকায় তার আইনজীবীরা আবেদনগুলো প্রত্যাহার করেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আক্তারুজ্জামানের আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম ইব্রাহিম খলিল মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস, অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন ফকির, আব্দুর নুর দুলাল, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী, ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব, ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম, মোতাহার হোসেন সাজু, সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোর্শেদ, অ্যাডভাকেট মনিরুজ্জামান, ওয়াকিলুর রহমান, আজাহারুল্লাহ ভুইয়া, ওয়াজিউল্লাহ, সৌমিত্র সর্দার, শুভ, কাজল রশিদ বিশ্বাস, ব্যারিস্টার ইমরান, আসাদুজ্জামান মনির, মিজান, জগলুল কবির, সাইফ, শাহনেওয়াজ, মুকিম, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, ডিবি রমনা (সুপ্রিম কোর্ট ইনচার্জ) মোহাম্মাদ মমিন, সাবেক ডিসি হারুন, শাহবাগ থানার এসআই গোলাপ উদ্দিন মাহমুদ, এসি রমনা বায়েজীদুর রহমান, রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল আল মাসুম, নিউমার্কেট জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ ফারুক, শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মাহফুজুল হক ভুইয়া ও গোলাম মোস্তফা, নায়েক মো. বাকী বিল্লাহ, কনসটেবল মো. মঈনুদ্দীন, কিবরিয়া ও রকিবুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে একদল ব্যক্তি জোরপূর্বক প্রবেশ করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন। তারা আইনজীবীদের বের করে দিয়ে জাল ভোট ও ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের ১৪ প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা এবং সমিতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
এছাড়া, পরবর্তীতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলাও করা হয়।