বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান-এর ৯৬ অনুচ্ছেদ-এর দফা (৮) মোতাবেক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।” 

এর আগে গত ৩০ মার্চ দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করা হয়। দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এই আবেদন করেন। 

আবেদনে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়। 

অভিযোগে বলা হয়, “বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।”