সরকারের যেসব পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলছে টিআইবি

নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনে কিছু ব্যতিক্রমী ও ইতিবাচক উদ্যোগের প্রশংসা করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম নিয়ে রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সংস্থাটি।  

টিআইবির পর্যবেক্ষণে উঠে আসা সরকারের ইতিবাচক দিকগুলো হলো– সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট সুবিধা বাতিল, প্রধানমন্ত্রীর ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করা, ব্যক্তিগত সফরে সরকারি সুবিধা ব্যবহার করলে নিজ খরচে তা পরিশোধের নির্দেশনা, সরকারি কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিতের উদ্যোগ এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। এছাড়া তিন ধাপে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত এবং সংসদের প্রথম অধিবেশনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রশ্নোত্তর ও আলোচনায় অংশগ্রহণকেও ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে কিছু প্রশংসনীয় ও অভূতপূর্ব নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত দেখা গেছে। তবে তা থেকে নতুন ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

তার মতে, সরকারের কিছু সিদ্ধান্ত বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার, ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার পরিকল্পনা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে সুশাসন, দুর্নীতিদমন ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে এসব পদক্ষেপ উদ্বেগ তৈরি করেছে।