৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে, কারণ কী

বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। রবিবার (৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইনি ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী এ সব কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হলো।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন– ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম (বর্তমানে গ্রেফতার), ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম (বর্তমানে গ্রেফতার), ডিআইজি মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, ডিআইজি এসএম মোস্তাক আহমেদ খান, ডিআইজি জিহাদুল কবির, ডিআইজি মঈনুল হক, ডিআইজি মো. ইলিয়াছ শরীফ, ডিআইজি শ্যামল কুমার নাথ, ডিআইজি মো. জাকির হোসেন খান, ডিআইজি মো. শাহ আবিদ হোসেন, ডিআইজি মো. জামিল হাসান, ডিআইজি মো. মাহবুবুর রহমান, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান।

অতিরিক্ত ডিআইজি মো. বরকতুল্লাহ খান, অতিরিক্ত ডিআইজি টিএম মোজাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন খান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মেহেদুল করিম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর কবীর, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রশীদুল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নিজামুল হক মোল্যা, অতিরিক্ত ডিআইজি এসএম এমরান হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শামসুন্নাহার, পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি সাইফুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত ডিআইজি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাজিদ হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আরেফ এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী, কোনও সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে, সরকার জনস্বার্থে কোনও কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে অবসরে পাঠাতে পারে। ২০তম ব্যাচের এই কর্মকর্তারা ২০০১ সালের ৩১ মে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই হিসেবে গত ৩০ মে তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে।