কর্মসূচির উদ্বোধনকালে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই। সচেতনতার প্রথম শর্ত হচ্ছে হাত ধোয়া। মূলত পথচারীদের সচেতন করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব স্থানে সাবান ও পানি সরবরাহ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রয়োজন হলে মহাখালী ডিএনসিসির নতুন মার্কেটটি ব্যবহার করা যেতে পারে।’
এই ২৫টি স্থান হচ্ছে উত্তরায় রবীন্দ্র সরণি (বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চ), রাজলক্ষী মার্কেটের সামনে, মাসকট প্লাজার সামনে, খিলক্ষেত বাসস্ট্যান্ড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গেইটের সামনে, মিরপুরে সনি সিনেমা হলের সামনে, গ্রামীণ ব্যাংকের বিপরীত দিকে ডিএনসিসি আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে, মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরে ফায়ার সার্ভিসের সামনে, মিরপুর-১২ নম্বর বাসস্ট্যান্ড, মিরপুর-১৪ নম্বর মার্ক মেডিক্যলের সামনে, মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের শাহ আলী মার্কেটের কোনায়, মিরপুর শপিং মলের নিচে (মিরপুর সরকারি কলেজের বিপরীতে), মিরপুর-১ নম্বর কো-অপারেটিভ মার্কেটের সামনে, গাবতলী পশু হাট, শ্যাওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড, ফার্মগেট আনন্দ সিনেমা হলের সামনে, মোহাম্মদপুর টাউন হলের সামনে, মোহাম্মদপুর বসিলা রোডের নতুন রাস্তার কালভার্টের ওপর, কাওরান বাজার (কিচেন মার্কেটের সামনে), আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালের সামনে, গুলশান-২ ডিএনসিসি মার্কেটের সামনে, গুলশানে পুলিশ প্লাজার সামনে, কাকলী বাসস্ট্যান্ড, মহাখালী ডিএনসিসি আঞ্চলিক অফিসের সামনে এবং রামপুরা বাজার।
কর্মসূচির উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মঞ্জুর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
হাত ধোয়া কর্মসূচি উদ্বোধনের পরে বর্জ্য পরিবহনের জন্য ডিএনসিসির কেনা নতুন ২০টি ট্রাকের চাবি ড্রাইভারদেরকে কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সকল ট্রাক ২০টি ওয়ার্ডে বর্জ্য সংগ্রহে ব্যবহার করা হবে।