জরিমানার পাশাপাশি সচেতনতায় নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর

1

বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে প্রতিদিনই বাজার তদারকি করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। বাজার তদারকিতে জরিমানার পাশাপাশি এখন সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে জনসাধারণ এবং ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিত্য পণ্যের দাম বেশি না রাখতে মাইকিং করে অনুরোধ জানান তারা।
শনিবার ( ১১ এপ্রিল) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ( উপসচিব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের পরিচালনায় প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাসুম আরেফিন ও বিকাশ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরের নিউমার্কেট বাজার, পলাশী বাজার, হাতিরপুল বাজার, লালবাগ বাজার, ইসলাম বাগ বাজার, সোয়ারীঘাট বাজার, বাবুবাজার, নয়া বাজার, কাওরান বাজার, রামপুরা বাজার, উত্তর বাড্ডা বাজার, মধ্যে বাড্ডা বাজারে অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় নিত্য প্রয়োজনীয় মোড়কবিহীন পণ্যের মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করা ও ধার্য্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করার অপরাধে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
অভিযান চলাকালে অধিদফতরের কর্মকর্তারা হ্যান্ডমাইকে চাল, ডাল, রসুন, আদা, পেঁয়াজ, মরিচসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য তালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা এবং প্রদর্শনকৃত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে উক্ত পণ্য বিক্রয় না করা, করোনাকে কেন্দ্র করে অতি মুনাফা লাভ থেকে বিরত থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেন। এছাড়া ক্রেতা- বিক্রেতার স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া এবং অযথা বাইরে ঘোরাফেরা না করতে অনুরোধ করা হয়। একই সঙ্গে করোনা সংক্রামণ রোধে সামাজিক দূরত্ব (৩ মিটার) বজায় রেখে কেনাকাটা করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
মাসুম আরেফিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মূলত সচেতনতার পাশপাশি বাজারে যে আমাদের অবস্থান সেটা জনগণকেই জানানো মূল উদ্দেশ্য। এতে জনগণ একটা আস্থা পায়। আমরা মাইকিং করে বলছি যাতে মানুষ সরকার নির্দেশিত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করেন। ব্যবসায়িদের বুঝাচ্ছি যে পণ্যের যথেষ্ট মজুদ আছে, সরবরাহ আছে , তারা যেন দাম না বাড়ায়।