চিঠিতে তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পুরাতন ৩৬টি ওয়ার্ডের বাসা-বাড়ি, দোকান ও মার্কেটসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে বেসরকারি ভ্যান সার্ভিসের মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘ দিন ধরে গৃহস্থলীর বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিকভাবে বর্জ্য সংগহ করার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ হতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এলাকাভিত্তিক ভ্যান সার্ভিসের অনুমোদন দেওয়া হয়ে থাকে। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বাসা-বাড়ি হতে দৈনন্দিন উৎপাদিত গৃহস্থলীর বর্জ্য অপসারণে এলাকার বিভিন্ন সংগঠন পরিচয়ধারী ব্যক্তিরা কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। যা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও মিডিয়াতে প্রচারিত হচ্ছে। এতে ডিএনসিসি-এর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।’
চিঠিতে গৃহস্থালীর বর্জ্য অপসারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি যাতে না হয় এবং অনুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সঠিকভাবে কাজটি সম্পাদনে জন্য বলা হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৩ জুন এই সংক্রান্ত ‘ময়লার টাকাও খান কাউন্সিলররা!’ শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।