সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরের কিশোরী ইয়াসমিনকে পুলিশ কর্তৃক ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবসের সৃষ্টি হয়েছে। সেদিন ধর্ষণকারী পুলিশ সদস্যরা ইয়াসমিনকে পতিতা বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রতিরোধ আন্দোলন বাধ্য করেছিল ফৌজদারি মামলায় পুলিশের বিচার করতে। দীর্ঘ ২ বছর সারাদেশের নারী সমাজসহ দিনাজপুরবাসীর অপ্রতিরোধ্য গণআন্দোলন বাধ্য করেছিল ৩ পুলিশ সদস্যের ফাঁসির রায় প্রকাশ করতে। ২০০৪ সালে এই ফাঁসির রায় কার্যকর হয়।
তারা আরও বলেন, করোনাকালীন পরিস্থিতিতে নারীর ওপর নির্যাতন সহিংসতা অনেক বেড়েছে। পর্নোগ্রাফি, মাদকাসক্তি, জুয়া, অশ্লীল সিনেমা-নাটক-বিজ্ঞাপন মানুষকে ভোগবাদী মানসিকতায় নিমজ্জিত করেছে। নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক সমাজব্যবস্থার ফলেই আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা আহ্বান জানিয়ে বলেন, নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা, নির্যাতন বন্ধ করতে হলে নারী নির্যাতন বিরোধী সকল আন্দোলনকে বৈষম্য ও দমনমূলক সমাজব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত করতে হবে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নারীর মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে হবে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি সীমা দত্ত, অর্থ সম্পাদক নাঈমা খালেদ মনিকা ও দফতর সম্পাদক তৌফিকা লিজা প্রমুখ।