কাজ না পেয়ে কর্মকর্তার কক্ষ ভাঙচুর: ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা করবে রাজউক

রাজউককাজ না পেয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ঝিলমিল আবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী নুরুল ইসলামের কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় আগামীকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) মামলা করতে যাচ্ছে রাজউক। তবে ঘটনায় তাৎক্ষণিক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি লিখিত আকারে রাজউক চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি রবিবার মামলা দায়েরের কথা জানান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে মঞ্জুর হোসেন নামে এক ঠিকাদার ভাঙচুর করেন। পাশাপাশি তাকে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করেন।
জানতে চাইলে প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঘটনার পর আমি বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। সঙ্গে সঙ্গে থানা মতিঝিল থানা থেকে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, আগামীকাল রবিবার মামলা করবে।
তিনি আরও বলেন, ঝিলমিল প্রজেক্টের রাস্তা তৈরির জন্য ই-জিপি’র মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এতে এবারে ৫ কোটি, ৮ কোটি, ৯ কোটি ও ১১ কোটি টাকার একটি করে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। সেই টেন্ডার জমা দেওয়ার সময় শেষ। ঠিকাদাররা নিয়ম মেনে টেন্ডার জমাও দিয়েছেন। এখন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এরই মধ্যে মঞ্জুর ৫ কোটি টাকার কাজটি চেয়েছেন। তিনি নানা অজুহাতে আমাকে টেন্ডার বাতিল করার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু আমি জানিয়ে দিয়েছি ই-জিপির মাধ্যমে কাজ হয়েছে। এখানে আইন লঙ্ঘন করার কোনও সুযোগ নেই। এর জের ধরে তিনি গত সপ্তাহে বলে যান, আমাকে টেন্ডার দিলেন না, এরপর কিছু ঘটলে দায় আপনার।
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, এরপর গত বৃহস্পতিবার ১০ থেকে ১২ জন জন বহিরাগতকে নিয়ে তিনি আমার কক্ষে প্রবেশ করেন সবাই মিলে আমার কক্ষে হামলা করে। চেয়ারসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
তবে ঠিকাদার মঞ্জুর দাবি, তিনি কয়েকজনকে নিয়ে ওই প্রকৌশলীর কক্ষে প্রবেশ করেন। কিন্তু সেখানে কোনও হামলা বা অন্য কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি চলে আসার পর অন্য কেউ এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। তাকে ফাঁসানোর জন্য এমনটা হতে পারে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানান জন্য একাধিকবার ফোন করলেও রাজউক চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলম ফোন ধরেননি।